রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২০ ৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Bangladesh Total News

যে পদ্ধতিতে অটোপাসের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন

প্রকাশের সময় : ৯ অক্টোবর, ২০২০ ২:৩২ : অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট:চলতি বছর মহামারি করেনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। জেএসসি এবং এইচএসসির ফল মূল্যায়ন করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। তবে এসব আলোচনা ছাপিয়ে চলতি বছরের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার শর্ত বা নিয়ম কী হবে তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।জানা গেছে, করোনার কারণে এইচএসসি না হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবেই। তবে সামনে শীত থাকায় এতো শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার উদ্যোগ কার্যকর নাও হতে পারে।সূত্র জানিয়েছে, আগামী বছরের শুরুর দুই মাসে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শীতের পর ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চে পরীক্ষাটি নেয়া হতে পারে। তবে এতে সময় নষ্ট হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি অপেক্ষা করতে না চায়; সেক্ষেত্রে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিত না থেকেই পরীক্ষাটি হতে পারে। অর্থাৎ অনলাইনে পরীক্ষা হতে পারে। এ বিষয়ে আগামী ১৫ অক্টোবর উপাচার্যদের নিয়ে ইউজিসির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।বর্তমানে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৯টিতে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটে আসবে না বলে জানায়। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।জানা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ৯ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করলেও এবার অটোপাসের কারণে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জনে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৬০ হাজারের মতো আসনে ভর্তি হতে পরীক্ষা দেন ছয় লাখের মতো শিক্ষার্থী।এই ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে। আগামী জানুয়ারিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলেও জানান তিনি।তবে সশরীরে পরীক্ষাটি নেয়ার বিষয়টি কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি। জানা গেছে, ইতোমধ্যে এইচএসসি ফল ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশের জন্য কাজ শুরু করেছে টেকনিক্যাল কমিটি। জানুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা পিছিয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে শীতের পর ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসে পরীক্ষা নেয়া হতে পারে। তবে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষার আয়োজন হলে তা হবে অনলাইনে।এ কারণে পরীক্ষার পদ্ধতি চূড়ান্ত করতে সময়ক্ষেপণ করা হতে পারে। টেকনিক্যাল কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, ‘করোনার সংকটে বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনলাইনে নেওয়া যায় না। পরিস্থিতি ভালো হলে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। এর বিকল্প নেই।’

 


ট্যাগ :

আরো সংবাদ