সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Bangladesh Total News

প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনা মোতাবেক এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি – নেছার উদ্দীন আহমদ

প্রকাশের সময় : ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:০৯ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : “চলমান উন্নয়ন আরো বেগবান হবে, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকল মহলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি” – মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই উক্তিকে আমি ব্যাক্তিগতভাবে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রধান দিক-নির্দেশনা মনে করছি। যেহেতু সাতকানিয়া পৌরসভা দক্ষিণ চট্টগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভা। একজন কাউন্সিলর বা জনপ্রতিনিধি হয়ে উন্নয়নের ধারায় নিজেকে সম্পৃক্ত করে এলাকার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে হয়তো মনে করবো জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে পেরেছি। তাছাড়া আমি স্পষ্টভাষায় বলতে চাই, পৌরসভার মেয়র মহোদয় জনাব জুবায়ের সাহেব সকল কাউন্সিলদের মতো আমাকেও উন্নয়নের স্বার্থে সার্বিক সহযোগিতা করছেন। আমি বিনয়ের সাথে মেয়র মহোদয়েরে প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
আমরা সাতকানিয়া পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব নেছার উদ্দীন আহমদের সাথে তাঁর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন সম্পর্কিত তথ্য, বিগত ৮ বৎসর যাবত জনস্বার্থে ব্যাক্তিগত পদক্ষেপ, পরিকল্পনা, জনভোগান্তি চিহ্নিতকরণ ও তাঁর ব্যাক্তিগত চিন্তা চেতনা ইত্যাদি নিয়ে খোলামেলা কথা হয় বিটিনিউজ২৪.কম.বিডি’র প্রতিনিধির সাথে। বিশেষ প্রতিনিধির সাথে আরো সংযুক্ত ছিলেন ফটো সাংবাদিক কে.এম. আবুল কাশেম।
বিটিনিউজ২৪.কম.বিডি তার সাক্ষাতকার অত্র এলাকার জনগণের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করছে।
১. বিটিনিউজ২৪.কম.বিডি : কেমন আছেন ? কেন এত জনপ্রিয় আপনি ?
৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব নেছার উদ্দীন আহমদ : মহান স্রষ্টার রহমত ও মেহেরবানীতে এবং আপনাদের সকল দোয়ায় ভাল আছি।
আমি নিজেকে অত্র এলাকার জনপ্রিয় প্রতিনিধি হিসেবে দাবি করি না। জনপ্রিয়তা জনগণের মনের ব্যাপার। হয়তো জনগণের চিন্তার প্রতিফলন বুঝতে পেরে আপনি আমাকে জনপ্রিয় প্রতিনিধি বলছেন। এখানে একটি কথা না বললেই নয়, আমি যুব জীবন থেকেই এই এলাকার বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর তৃনমূল পর্যায়ের কর্মী ছিলাম। একজন তৃনমূল কর্মী তৃনমূল থেকে এলাকার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ থাকে। সেই সুবাদে আমি অত্র এলাকার সর্বসাধারণের সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, আনন্দ-বেদনায় নিজেকে শরীক করার চেষ্টা করেছি মাত্র। হয়তো তাই জনগণ তাদের অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে আমাকে জনপ্রতিনিধি করে।
২. বিটিনিউজ২৪.কম.বিডি : আপনি পরপর দু’বার এই এলাকার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। বিগত ৮ বৎসরে কি কি উন্নয়ন করেছেন ?
৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব নেছার উদ্দীন আহমদ : মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা, টেকসই উন্নয়নের দেশ হবে বাংলাদেশ। আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, আমার ৭নং পৌর ওয়ার্ডসহ সমগ্র পৌরসভাই উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। আমার জানামতে, বিগত ৮ বৎসরে যেসব উন্নয়ন পরিকল্পনা ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে তা প্রশংসার দাবি রাখে। আমার ৭নং ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট, আরসিসি পদ্ধতি অনুসরণ করে সুশ্রীভাবে নির্মিত হয়েছে। ওয়ার্ডের পাশের খালের পাড়ের দেয়াল পাকাকরণ করা হয়েছে। ফলে খালের পানির ¯্রােতে পাড় ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হয়েছে। অত্র এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা – প্রতিষ্ঠানের সংস্কার ও শ্রী বর্ধন করা হয়েছে। ভোয়ালিয়া পাড়ার মাঝখানে যে দীঘিটি রয়েছে তার পাড় সংস্কার করে পাকাকরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে পৌরসভার সম্পর্ক নিবিড় হওয়াতে রাষ্ট্রীয় তথ্য, সহযেগিতা ও অনুদান যথাযথভাবে সর্বসাধারণের কাছে পৌছে দিয়েছি। আগামীতে যেসব উন্নয়নের কাজ আসছে তা স্বচ্ছতার সাথে বাস্তবায়ন করে অত্র এলকার জনতার আকাঙ্খার প্রতিফলন এমন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।
৩. বিটিনিউজ২৪.কম.বিডি : নির্বাচিত হওয়ার পর যুবসমাজ ও নারীর ক্ষমতায়নে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং কি কি বাস্তবায়ন করেছেন ?
৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব নেছার উদ্দীন আহমদ : আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, একটি মানুষকে মানব সম্পদে রুপান্তরিত করার পূর্বশর্ত হিসেবে যুব সমাজের গুরুত্ব ও পরিচালনার দায়িত্ব দেশপ্রেমিক সমাজকে নিতে হবে। একজন নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবে নিজের অবস্থা ও পৌর সহযোগিতার সীমাবদ্ধতাকে আমলে নিয়ে এই যুবসমাজকে একটি সঠিক পথে পরিচালনার জন্য সকলের পরামর্শ সহ সহযোগিতা চাই। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে যুবসমাজের জন্য প্রাধান্যতার ভিত্তিতে যেসব কাজ করছি, তা হল – শিক্ষিত ও অর্ধ শিক্ষিত যুবসমাজকে কারিগরী প্রশিক্ষণ গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছি। একই সাথে কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সাথে যুবকদের একটি যোগসূত্র তৈরি করেই চলছি। আর মাদকের সাথে সম্পৃক্ত যুবসমাজকে স্বাভাবিক জীবনধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য যৌক্তিক সহযোগিতা অব্যহত রাখছি। মাদকের কুফল যুবকদের সাথে নিয়ে সমাজের সকল শ্রেনীর মানুষদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করছি। কখনো উঠান বৈঠক, কখনো লিফলেট-পোষ্টার-ব্যানার আবার কখনো মাদকের কুফল সম্পর্কিত র‌্যালি। আর নারীর ক্ষমতায়নের যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি তার দুএকটি জানানোর চেষ্টা করছি। যেমন, মাতৃত্বকালীন ভাতা পাইয়ে দেওয়া, স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্রীদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ আচরণ প্রদর্শনকারীদের এক ইঞ্চিও ছাড় না দেওয়া। বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালতগামী মহিলা কর্মীদের ন্যায্য সুযোগ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে পৌর আইন মেনে চলে সহযোগিতা করেছি। আর কোন কারণে নারী ও শিশু সহিংসতার শিকার হলে তা আইনের আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ ও সুবিচার করছি।


৪. বিটিনিউজ২৪.কম.বিডি : আপানর পরিবারে কে কে আছেন, তারা কি কি করেন, আপনার আয়ের উৎস কি ?
৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব নেছার উদ্দীন আহমদ : আমার পরিবারে আমার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। আমার স্ত্রী একজন শিক্ষিকা। আমার বড় সন্তান টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ট সেমিষ্টারে পড়াশুনা করছেন। আর কন্যা সন্তান আর্ন্তজাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এল.এল.বি তে পড়াশুনা করছেন। আপনিসহ আমার সর্বসাধারণের জ্ঞাতার্থে জানাতে চাই, পৈত্রিক সূত্রে আমার কিছু জমি-জমা রয়েছে। তাছাড়া ভোয়ালিয়া পাড়ায় আমার ছোট একটি মার্কেট ও রয়েছে। ১৮টি দোকানের ভাড়াতে আমার আয়ের সিংহভাগ আসে। আমার ছোট কয়েকটি অংশীদারিত্ব ব্যবসা রয়েছে। তাছাড়া আমার স্ত্রী শিক্ষিকা হওয়ার সুবাদে তাঁর উপার্জনও কিঞ্চিত সহযোগিতায় আসে। আমি আমার উপার্জিত অর্থের রাষ্ট্রীয় আইন মেনে ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে থাকি।
৫. বিটিনিউজ২৪.কম.বিডি : মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রবাহ ও তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিতকরণের স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধির ভুমিকা থাকার আবশ্যক ঘোষণা করেছেন। এক্ষেত্রে আপনি অত্র এলাকার জন্য কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং কি কি বাস্তবায়িত করেছেন ?
৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব নেছার উদ্দীন আহমদ : আপনি একটি যুগপোযোগী ভাল প্রশ্ন করেছেন, বর্তমান সময়কাল তথ্য প্রবাহ ও তথ্য পাওয়ার অধিকারের সময়। আমরা পৌরসভার প্রজ্ঞাপন হতে জানতে পেরেছি, সকল সরকারী ও বেসরকারী সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আসছেন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস চালু হয়েছে, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দিক-নির্দেশনার প্রতিচ্ছবি হিসেবে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার করছি। সকল প্রতিষ্ঠানে তথ্য পাওয়া ও ব্যবহারের জন্য ব্রডব্যান্ডসহ মডেমের ব্যবহার ইতিমধ্যে পরিলক্ষিত হচ্ছে। আপনিসহ এলাকার সকলকে আনন্দের সাথে জানাতে চাই,আগামীতে ভূমি অফিসে ভূমি সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম অনলাইনের আওতায় আনা হবে। যা ভূমি সংক্রান্ত সংঘাত নিরসনে সহায়ক হবে।
৬. বিটিনিউজ২৪.কম.বিডি : আপনার এলাকায় জনভোগান্তি আছে এমন কিছু কি চিহ্নিত করতে পেরেছেন ? নিরসনের জন্য কি পদক্ষেপ নিয়েছেন?
৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব নেছার উদ্দীন আহমদ : আমি বেসরকারী সংস্থা ব্রাকের একটি জরিপ দিয়ে এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে চাই। আমার নির্বাচনী এলাকায় ৮৭ শতাংশ নিরাপদ পায়খানা রয়েছে। বাকি ১৩ শতাংশ খুব শীঘ্রই নিরাপদ পায়খানাতে রুপান্তরিত হবে। এলাকায় ডাস্টবিন আছে বটে, সপ্তাহে চারবার ডাস্টবিনগুলো পরিস্কারও করা হচ্ছে। পয়ঃনিস্কাসন সমস্যা হলে, স্থানীয় মুরব্বী, সচেতন মহল ও শিক্ষিত যুবসমাজ আলাপ আলোচনা করে পৌরসভার সহযোগিতায় সমস্যা নিবারন করি। আর যত্রতত্রভাবে ডাস্টবিন ব্যবহার না করার জন্য, এলাকায় সচেতনতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করেই চলছি। যেমন – মাইকিং করে নির্দ্দিষ্ট জায়গায় ময়লার ফেলার পরামর্শ দিচ্ছি, বাজারের বর্জ্যে নির্দ্দিষ্ট জায়গায় ফেলার জন্য বাজার কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা হয়েছে, এলাকার জন্য সুপেয় পানির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করছি। তাছাড়া পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নিয়মিত ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট পরিস্কার রাখছেন। ইদানিং এলাকায় মাত্রাতিরিক্ত মেশিনচালিত রিকসা (টমটম) ব্যবহারে কিছু জনভোগান্তি নজরে এসেছে। আমি সম্মানিত মেয়র মহোদয়ের সাথে উল্লেখিত বিষয়টি নিয়ে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে একটি নীতিমালা প্রণয়নের আহবান জানাবো। যা জনভোগান্তির কারণগুলো জনউপভোগের কারণ হয়।
৭. বিটিনিউজ২৪.কম.বিডি : অত্র ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রায় ৯৬ মাস, ভবিষ্যতে অত্র এলাকার জন্য নতুন কোন ভাবনা আপনার আছে কি ? এলাকার সর্বসাধারণের জন্য কিছু বলতে চান ?
৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব নেছার উদ্দীন আহমদ : আপনি যথার্থই বলেছেন, আমি এলাকার সকলের দোয়া ও সহানুভূতির কারণে পরপর দুবার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। আমার এলাকার ভোটার সংখ্যা ৪৫৬৭। আমি ২০১০ সালে প্রথমবার আপেল প্রতীক নিয়ে ১০১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়। আবার ডালিম প্রতীক নিয়ে ১০৮৩ ভোট পেয়ে ২০১৫ সালে পুননির্বাচিত হয়। দীর্ঘদিন পৌর কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করাতে নিজ ভুবনে এলাকা নিয়ে কিছু স্বপ্ন আঁকি। যৌক্তিক সহযোগিতা ও সামার্থ্য এলে হয়তো একদিন দৃশ্যমান হবে। যেমন ধরুন – এলাকার ছাত্র যুবদের জন্য একটি ই- লাইব্রেরী করা, বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্প সাংস্কৃতিকে লালন ও চর্চার জন্য একটি প্রযুক্তি সম্পন্ন লোককেন্দ্র গড়ে তুলতে চাই। এলাকার সর্বসাধারণের সুবিধার্থে তাৎক্ষনিক প্রাথমিক চিকিৎসা সম্বলিত হেলথ সেন্টারের প্রয়োজনবোধ করছি ।
এলাকার সর্বসাধারণের জন্য বলতে চাই, পৌর আইন ও নীতি মেনে চলুন, পৌর এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সময়মত ট্যাক্স ভ্যাট প্রদান করুন। যেহেতু পৌর মেয়র জনাব জুবায়ের একজন যোগ্য ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, মেয়র মহোদয়ের চিন্তা-চেতনা পৌরবাসীর জীবনমান উন্নত করা, অবকাঠামো সুশ্রী ও উন্নত করা। তাই আগামীতে সাতকানিয়া পৌরসভা ও ৭নং ওয়ার্ডকে একটি মানববসতি ও পরিবেশবান্ধব এলাকা তৈরি করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। খোদা হাফেজ।


ট্যাগ :

আরো সংবাদ