সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Bangladesh Total News

চীনা নাগরিকসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার ও পারপোর্ট জব্দের নির্দেশ

প্রকাশের সময় : ৭ নভেম্বর, ২০১৯ ১:৫৩ : পূর্বাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট : ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) দুই কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করার অভিযোগে দুর্নীতির মামলায় এক চীনা নাগরিকসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তারে পদক্ষেপ নিতে বলেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাদের পাসপোর্ট জব্দ করতে বলা হয়েছে।এছাড়া বিচারিক আদালতে ছয় মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করতেও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।ওই দুর্নীতির মামলা বাতিল চেয়ে ব্যাংকটির সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহাবুদ্দিন চৌধুরীর আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।পাঁচ আসামি হলেন- ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল ওদুদ খান, দি সিনফা নিটাস লিমিটেডের কোম্পানির চেয়ারম্যান চীনা নাগরিক ইয়াং ওয়াং চুং, এমডি খসরু আল রহমান, পরিচালক মনসুরুল হক ও মো. গোলাম মোস্তফা।আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরু। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান ও ব্যারিস্টার মো. নওশের আলী মোল্লা।রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।পরে খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘এ মামলায় জামিনে থাকা শাহাবুদ্দিন চৌধুরী মামলা বাতিলের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন। যেটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছেন আদালত। এছাড়া ছয় মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেন।’একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, ‘এ মামলার পলাতক পাঁচ আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও তারা যাতে বিদেশে পালাতে না পারে সেজন্য পাসপোর্ট জব্দ করার বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।’ঘটনার বিবরণী উল্লেখ করে আমিন উদ্দিন মানিক আরও জানান, সৃজন জাল দলিল দাখিল করে দি সিনফা নিটাস লিমিটেড নামীয় কোম্পানি খুলে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার নিশ্চয়তা নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে ন্যাশনাল ব্যাংক দিলকুশা শাখার দুই কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করায় দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ২০১৭ সালের ১৭ জুন ছয় জনকে আসামি করে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৪ জুন এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান আমিন উদ্দিন মানিক।


ট্যাগ :

আরো সংবাদ