বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১ ১লা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Bangladesh Total News

একাত্তরের গণহত্যার বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি: মহান বিজয় দিবসের আলোচনায় আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলম

প্রকাশের সময় : ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ ৭:১৪ : পূর্বাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট: পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে নির্বিচারে গণহত্যা, শিশু হত্যা ও নারী ধর্ষণ এক জঘন্যতম নারকীয় ঘটনা। বিশ্বের বহুদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতার দোসররা পাকিস্তানী আতাতদের সাথে মিলিত হয়ে যেভাবে গণহারে গণহত্যা, শিশুহত্যা ও নারী ধর্ষণ করেছে তা পৃথিবীর বর্বরতম ইতিহাসকে হার মানিয়েছে। এ গণহত্যা কখনো মেনে নেওয়ার মতো নয়। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পার হলেও গণহত্যা ও গণধর্ষণে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। অবিলম্বে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে সরকারের কাছে জোরালো দাবি একাত্তরের গণহত্যার বিচারে আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন। ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের বিজয় দিবসের আলোচনায় আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলম এ কথা বলেন। ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে গত ২৬ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় নগরীর মোমিন রোডস্থ কদম মোবারক এম ওয়াই উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলনায়তনে সংগঠনের বিভাগীয় সভাপতি ও বিশিষ্ট মানবাধিকার নেতা মোহাম্মদ হাসান মুরাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক স ম জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশিষ্ট কলামিস্ট আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। প্রধান আলোচক ছিলেন ৯নং ওয়ার্ড যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাজেদা বেগম সাজু। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.ফিল গবেষক আহমদ সুজা উদ্দিন, ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ খুরশিদ মিয়া। সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে স্বাধীনতার দোসররা একত্রিত হয়ে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য ভাঙার দুঃসাহস দেখিয়েছে। এটি চরম দুঃসাহসিকতার পরিচয়। অবিলম্বে সরকারকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী চক্রদের আস্ফালন বন্ধ করার দাবি জানান। এ সময় নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে দৃঢ় সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিল। সরকারের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকামী জনতা আশা করেন, অবিলম্বে সরকার মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও গণধর্ষণের জড়িতদের বিচারে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি হাজী মোহাম্মদ ইউনুচ মিয়া, মাসুমা কামাল আঁখি, এম এ হাশেম, অর্থ সম্পাদক গোলাম রহমান, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুব, সদস্য ছবির আহমদ, মোপলেস’র সভাপতি কবি সজল দাশ, সমীরণ পাল, রহিম পারভেজ, ইমরান সোহেল, সংগঠক দীলিপ সেন প্রমুখ।


ট্যাগ :

আরো সংবাদ