শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১ ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Bangladesh Total News

ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের ১ কোটি ১১ লাখ টাকা অনুদান দিল চসিক

প্রকাশের সময় : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ৫:৫১ : অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট: নগর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানুষের ক্ষুদ্রব্যবসা অনুদান বিতরণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (এলআইইউপিসি)’র প্রকল্পের অধীনে এই অনুদান দেয়া হলো। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চসিকের টাইগারপাসস্থ অফিসের কনফারেন্স রুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই অনুদান বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। জুমের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে ১৮টি ওয়ার্ডের উপকারভোগীরা অংশ নেন। আর্থসামাজিক তহবিলের অধীনে কোভিড-১৯ এর কারণে নগরীর কর্মহীন দরিদ্র প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ক্ষুদ্র ব্যবসায় এই অনুদান বিতরণ করা হয়। এ কার্যক্রমে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে সহায়তা করছে ইউএনডিপি ও এফসিডিও। ১ হাজার ১’শ ১৩ জন নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার প্রত্যেককে তাদের রকেট একাউন্টের মাধ্যমে ১০ হাজার করে মোট ১ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক। অন্যান্যের মধ্যে ইউএনডিপি ও এফসিডিও’র সহায়তায় চলা এই অনুষ্ঠানে জুমের মাধ্যমে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মান্নান,প্রকল্পের আন্তর্জাতিক ম্যানেজার ইয়োগেস ফারহানান বক্তব্য রাখেন। এতে প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহামম্মদ আবুল হাশেম, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মো.সারেয়ার হোসেন খান, সোসিও-ইকোনমি ও নিউট্রিশন বিশেসজ্ঞ মোহাম্মদ হানিফ, টাউন ফেডারেশনের চেয়াপার্সন কোহিনুর আক্তার উপস্থিত ছিলেন ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন, করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অনুদান দেয়ার ব্যবস্থা করায় প্রকল্পের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন,নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের যারা অনুদানের এই ১০ হাজার টাকা পেলেন আশাকরি তারা কোন অপ্রয়োজনীয় খাতে এই টাকা খরচ করবেন না। এটি সরকারের একটি অগ্রাধিকার পাওয়া ও বহুমাত্রিক প্রকল্প। হয়তো ১০ হাজার টাকা কিছুই নয়। তারপরও এই ক্ষুদ্র অর্থেও ছোট খাট ব্যবসা করে নিজের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে পারেন। তবে এই টাকা পরিকল্পিত উপায়ে খরচ করতে হবে। তিনি বলেন,চট্টগ্রামের মানুষের একটা বদঅভ্যাস আছে। ধার করে ঘি খাওয়া! আশাকরি অনুদান পাওয়া উপকারভোগীরা তা করবেন না। আপনাদের প্রতি অনুরোধ পুঁজি ঠিক রেখে নিজেদের আয় বাড়াবার চেষ্টা করবেন। টাকাটা দেয়া হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য করে জীবন মানের উন্নয়নে। এমনিতেই পেলেন বলে, এই অর্থের অপচয় করবেন না। ইচ্ছা করলে এই অর্থেই অপনারা নিজের ভাগ্যের পরিবর্তনে ক্ষেত খামার, হস্তশিল্প করে নিজের ভাগ্য ফেরাতে পারেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুন্নত বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল থেকে উন্নত দেশে পরিণত করার যে ঘোষণা দিয়েছেন তার সফল বাস্তবায়ন সম্ভব দক্ষ জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে। কাজেই আপনারা অনুদানের এই অর্থের সদব্যবহার করবেন।


ট্যাগ :

আরো সংবাদ