শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১ ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Bangladesh Total News

জার্মানিতে কঠোর লকডাউন

প্রকাশের সময় : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ৯:০৮ : অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট:করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়ানোর পর কঠোর লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মান সরকার। দেশটিতে স্কুল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া বাকি সব দোকান বুধবার থেকে বন্ধ থাকবে। এদিকে বিশ^ব্যাপী সোমবার পর্যন্ত ৭ কোটি ২৯ লাখ ১৮ হাজার ১৩৩ জনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। মারা গেছে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ৯০৮ জন। সুস্থ হয়েছে ৫ কোটি ১১ লাখ ২৩ হাজার ৭২৮জন। চিকিৎসাধীন আছে দুই কোটি এক লাখ ৭৩ হাজার ৭৮৪ জন। যাদের মধ্যে এক লাখ ৬ হাজার ১৮৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৫১৮ জনের নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে। একদিনে মারা গেছে ৭ হাজার ৬৭৩ জন। খবর বিবিসি, সিএনএন, আলজাজিরা, রয়টার্স ও ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের।

জার্মান চ্যান্সেলর এ্যাঞ্জেলা মেরকেল মনে করছেন, ক্রিসমাসের কেনাকাটার সময় একে অপরের সংস্পর্শে আসায় ভাইরাসে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। সবশেষ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, জার্মানিতে আরও ২০ হাজার ২০০ জন সংক্রমিত হয়েছেন এবং ৩২১ জন মারা গেছে। নতুন এই লকডাউন ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে চলবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। দেশটির ১৬ রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। মেরকেল বলেছেন, একটা পদক্ষেপ নেয়া জরুরী ছিল। রেস্টুরেন্ট, বার ও অবকাশ কেন্দ্রগুলো নবেম্বর থেকে বন্ধ আছে এবং কিছু এলাকা আগে থেকেই লকডাউন অবস্থায় রয়েছে। নতুন করে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করা হলেও খাবারের দোকান, ব্যাংক ও ক্রিসমাস ট্রির দোকান খোলা থাকবে। চুল কাটার স্যালুন অবশ্যই বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা যাতে করে তাদের কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। কেয়ার হোমগুলোতে করোনাভাইরাস টেস্ট করতে দেয়া হবে। শুধু বড়দিন নয়, নতুন বছর ২০২১ কে বরণ করে নেয়ার জন্য যে বিশাল আয়োজন করা হয়, সেখানে থাকছে নানা বিধি-নিষেধ। আতশবাজি বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জনসমাগম স্থলে মদ্যপান করা নিষেধ করা হয়েছে। দেশটির অর্থমন্ত্রী বলেছেন, যেসব ব্যবসা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের প্রতিমাসে সরকার থেকে সর্বোচ্চ ৫ লাখ ইউরো দেয়া হবে। এক বাসায় দুই পরিবার থেকে ৫ জনের বেশি জমায়েত হতে পারবে না। তবে ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বর এই নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। তখন একটি বাসায় অন্য একটি বাসা থেকে সর্বোচ্চ ৪ জন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কে আমন্ত্রণ জানানো যাবে। জার্মানির দ্বিতীয় জনবহুল এলাকা বাভারিয়াতে রাতের বেলা কার্ফু চলবে, কারণ এখানে সংক্রমিত হওয়ার হার অনেক বেশি। চ্যান্সেলর মেরকেল বলেছেন, আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চাপ কমানোর জন্য একটি পদক্ষেপ নেয়া জরুরী ছিল।

 

 


ট্যাগ :

আরো সংবাদ